1) এক রাতে নব-দম্পতির বাসায় ডাকাত পড়ল। তারপর উনারা থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেন। 
 পরের দিন পুলিশ এসে এলাকার সবাইকে বলছে, ওই বাসাতে রাতে ডাকাত এসেছিল। 
 ওনারা ও বাবাগো-ও মাগো বলে চিৎকার করল, আর তবু আপনারা কেউ সাহায্য করতে এগিয়ে গেলেন না!
 কয়েকটি ফাজিল ছেলে উত্তর দিল, ওরকম চিৎকার তো কয়েকদিন ধরেই শুনছি। কিভাবে বুঝবো কালকে ডাকাত এসেছিল! 
   2) বাজার করে আসার পথে ববের গাড়ি খারাপ হয়ে গেলো। সে গাড়ি থেকে নেমে এল। তার ফার্মটা কাছেই। 
 হেটে যেতে মিনিট দশেক লাগবে। সে আপাতত গাড়িটা ফেলে রেখে চলেই যেতে পারত। 
 পরে মেকানিক নিয়ে এসে ঠিক করা যেত গাড়িটা। কিন্তু সমস্যা হল.সাথে কিছু বাজার আছে। 
 একটা বড় হাস, দুইটা মুরগি, একটা বালতি আর চার লিটার রঙের ডিব্বা। 
 এতগুলা জিনিস কিভাবে নেয়া যায় সে বুঝে উঠতে পারছে না। রাস্তার.পাশে দাঁড়িয়ে সে এটা নিয়ে ভাবছে, 
 এমন সময় খুব সুন্দর এবং বছর চব্বিশের এক মেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করল, 
 - আচ্ছা, ৭৭ নম্বর ফার্মটা কোনদিকে? 
 - ৭৭? আমার বাসার পাশেই।
 হেটে যেতে বড়জোর দশমিনিট লাগবে। আমিই আপনাকে সাথে নিয়ে যেতাম কিন্তু একটা হাস, দুইটা মুরগি,বালতি আর রঙের কৌটা নিয়ে হাটতে পারছি না। -এককাজ করেন। রঙের কৌটাটা নেন বালতির ভিতর। মুরগি দুইটা নেন দুই বগলে আর হাসটা নেন আরেক হাতে। বব তাই করল। চমৎকার কাজ করছে।
 পথে কথাবার্তায় মেয়ের নাম জানা হল লিসা। সে যাচ্ছে কাজিন.জনের বাসায়। পথের এক জায়গায় বব বলল, এই ওয়ালটার পাশ দিয়ে একটা শর্টকাট -আছে। এখান দিয়ে গেলে তাড়াতাড়ি হবে। লিসা বলল, কিন্তু খুব নির্জন মনে হচ্ছে পথ। 
 - তাতে কি?
 - আপনি একজন যুবক। আমি একজন তরুনী। ধরেন, আপনি যদি নির্জনে আমার সাথে u know what শুরু করতে চান? 
 - হা হা হা! আমার একহাতে বালতি, যেটার ভিতর রঙের কৌটা, আরেক হাতে হাস। দুই বগলে দুইটা মুরগি। 
 আমি কিভাবে আপনার সাথে জোর করে কিছু করতে পারি? 
 - ধরেন, আপনি বালতি থেকে রঙের কৌটাটা বের করে সেটা উল্টিয়ে হাসটা রাখলেন। 
 হাসটা যেন না পালাতে পারে সেজন্য রঙের কৌটাটা বালতির ওপর রাখলেন। তাহলেই হল। 
 -ভুল করছেন। দুইটা মুরগি আছে যে, সেগুলার কি করব শুনি? : 
 : 
 : 
 একটু হেসে লিসা বলল, মুরগি দুইটা না হয় আমিই ধরে রাখলাম 
   3) এক বাংলাদেশী ভারতে গিয়া এক সকালে ব্রেড আর জেলি মাখায়া মনের সুখে খাচ্ছে,, তখন সেখানে এক ভারতিয় চুইংগাম চাবাইতে চাবাইতে তার কাছে এসে আজাইরা আলাপ শুরু করলো। 
 ভারতিয়ঃ তোমরা কি বাংলাদেশে ব্রেড এর সাথে জেলি খেয়ে মজা পাও?? 
 বাংলাদেশীঃ অবশ্যই!! 
 ভারতিয় আবার চুইংগাম চাবাইতে চাবাইতে বললঃ *আমরা জেলি খাইনা,কারন আমরা ব্রেকফাস্ট এ ফল খাই আর ওই গুলার ছোকলা আর ঝুটা গুলা দিয়ে জেলি বানাইয়া বাংলাদেশে পাঠাইয়া দেই!!!* 
 এ বার বাংলাদেশী বললঃ তোমরা কি ভারতে সে**র সময় ক*ডম ব্যবহার কর?? 
 ভারতিয়ঃ অবশ্যই করি!! 
 বাংলাদেশীঃ তাইলে ক*ডম ইউজ করার পর ঐটা কি কর?? 
 ভারতিয়ঃ ফেলে দেই!! 
 বাংলাদেশীঃ আমরা ব্যবহারের পর ক*ডম ফালাই না!! অই গুলা দিয়া চুইংগাম বানাইয়া ভারতে পাঠাইয়া দেই 
   4) ১ম ছেলে : বাবা, আমার গার্লফ্রেন্ড প্রেগনেন্ট হয়ে গেছে। পাঁচ হাজার টাকা চাইছে মুখ বন্ধ করার জন্য। 
 বাবা : এই নে, চুপচাপ দিয়ে আয়। 
 দুই মাস পর- 
 দ্বিতীয় ছেলে : বাবা, আমার গার্লফ্রেন্ড প্রেগনেন্ট হয়ে গেছে। আট হাজার টাকা চাইছে মুখ বন্ধ করার জন্য। 
 বাবা : যা, চুপচাপ দিয়ে আয়। 
 ছয় মাস পর- 
 মেয়ে : বাবা, আমি প্রেগনেন্ট হয়ে গেছি।
 বাবা : দারুণ খবর, এবার আমার টাকা নেওয়ার পালা। 
   5) বল্টু সুন্দরি বউ পেয়ে আহ্লাদে 
 আটখানা।
 সুন্দরি বউকে ট্রেনে করে বেড়াতে 
 যাচ্ছিল।
 তখন সে কি চিন্তা করে বলে উঠলোঃ 
 *মাধূরি, আমার বুকের বাম পাশটাতে 
 ভিশন ব্যাথা পাচ্ছি। 
 তখন মাধূরি বুকে চুমু দিয়ে দিল, 
 আর সাথে সাথে ব্যাথা ভালো হয়ে 
 গেল।
 একটু পর বল্টু আবার বলছে, 
 *আমার হাতে একটু একটু ব্যথা করছে।* 
 পূর্বের মতই মাধূরি হাতে চুমু দিল,
 আর ব্যথা সেড়ে গেল। 
 একটু পর আবার বল্টু বলছে, 
 *মাধূরি, আমার কপালটা কেমন জানি 
 করছে, খুব অসহ্য লাগছে।* 
 এবারও পূর্বের মত কপালে চুমু দিতেই 
 ভালো হয়ে গেছে।
 এই কাহিনি গুলো দেখে, ট্রেনের 
 ফ্লোরে শুয়ে থাকা এক বুড়ো বললঃ 
 *মা,তুমি তো দেখছি চুমুর ডাক্তার...!!! 
 চুমু দিলেই সব ভালো হয়ে যায়। 
 আমার তো ডায়রিয়ার সমস্যা, তুমি 
 একটা চুমু দিয়ে দাওনা মা। 
 তাহলে ডায়রিয়াটাও ভালো হয়ে 
 যাবে........!!! 
   6) এই ঘটনা মার্কিন মুল্লুকের নিউ ইয়র্ক শহরের। বাপ ডেভিড ট্রাম্প তার একমাত্র পুত্র জনি ট্রাম্পকে ডাকলেন গুরুতর একটি বিষয়ে কথা বলার জন্য। 
 ট্রাম্প: দেখ জনি, পাশের বাড়ির ডেইজির সঙ্গে যে তোমার অ্যাফেয়ার চলছে তা আমি জানি এবং তোমরা যে অচিরেই বিয়ে করতে যাচ্ছ তাও জানি। 
 জনি: ইউ আর রাইট ড্যাড... 
 ট্রাম্প: কিন্তু তুমি বোধ হয় একটা বেঠিক ডিসিশন নিতে যাচ্ছো। কারণ, তুমি জান না যে ডেইজি আসলে তোমার আপন বোন!
 জনি: বলছো কী, ড্যাড! তার মানে ডেইজির মা কেলির সঙ্গে তোমার...
 ট্রাম্প: তুমি প্রাপ্তবয়স্ক, তোমার কাছে খোলামেলাই স্বীকার করছি- ওর মায়ের সঙ্গে আমার গভীর অ্যাফেয়ার ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হঠাৎ ওর বিয়ে হয়ে যায় ল্যারির সঙ্গে... ডেইজি তখন কেলির পেটে... 
 জনি: ওহ্ শিট বাবা! হাউএভার, তোমাকে থ্যাঙ্কস যে তুমি বিষয়টি আমাকে সময়মতো জানিয়েছো। নাহলে তো...
 এর মাস খানেক পর ডেভিড ট্রাম্প ফের পুত্রকে ডাকলেন। 
 ট্রাম্প: ডিয়ার সান, তুমি মনে হয় আবার একই ভুল করছো।
 জনি: মানে! কীসের ভুল বাবা? 
 ট্রাম্প: তোমার এখনকার প্রেমিকা রেমি ডাইসনের কথা বলছি। বাস্তবে সেও তোমার আপন বোন হয়! 
 জনি: তার মানে রেমির মা নাওমির সঙ্গেও তোমার...
 ট্রাম্প: টুবি অনেস্ট, মাই সান- ঘটনা সেরকমই... 
 জনি: বাবা... 
 এরপর জনি মনের দুঃখে বাবা-মাকে ছেড়ে ক্যালিফোর্নিয়া চলে গেল। 
 সেখানে সুজি নামে অপরূপা এক তরুণীর সঙ্গে তার প্রেম জমে উঠলো। 
 সুজিকে বিয়ে করতে যাচ্ছে জনি আগামী রবিবার। 
 কিন্তু আগেরদিন শনিবার বাবা ট্রাম্পের ফোন পেয়ে রীতিমতো চমকে গেল সে। 
 ট্রাম্প: মাই সান, আমি সব সময়ে তোমার কাছে সৎ থাকতে চেয়েছি। তাই সব দ্বিধা ঝেরে আবারও তোমাকে ফোন দিলাম। 
 জানতে পারলাম তুমি সুজি ম্যাকেঞ্জিকে বিয়ে...
 জনি: ওহ্ গড! বাবা এখানেও? 
 ট্রাম্প: তুমি ভুলে যাচ্ছো যে আমাদের আদি বাসস্থান ছিল ক্যালিফোর্নিয়া। 
 তো সুজির মা রোজি আমার শিশুকালের খেলার সঙ্গী ছিল। যৌবনে আমাদের মাঝে গভীর প্রেম... 
 বাবার ওপর চরম ক্ষুব্ধ জনি ফোন কেটে দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে মা লিলিকে ফোন দিল। 
 সব শুনে লিলি ছেলেকে বললো: ডিয়ার সান জনি, তুই ডেউজি, রেমি বা সুজি- যে কাউকে বিয়ে করে ফেলতে পারিস। 
 এতে কোনো সমস্যাই দেখছি না আমি... 
 জনি: মা, কী বলছো তুমি ভেবে বলছো! এ তো পাপ হবে, মহাপাপ! 
 লিলি: কোনো কিচ্ছুই হবে না! কারণ, ওরা কেউ-ই তোর আপন বোন নয়! 
 জনি: মা! এত নিশ্চয়তা দিয়ে কীভাবে বলছো! 
 লিলি: এ কারণে বলতে পারছি যে তুই নিজেই ট্রাম্পের সন্তান না! সুযোগ পেয়ে আমিও তোকে সত্য কথাটা বলে দিলাম আজ। 
 ওহ গড! কী শান্তি যে লাগছে আজ... 
 জনি: মা...আ...আ... তুমিও... 
   7) অফিসে বদ স্বভাবের প্রধান কর্তার নয়া প্রাইভেট সেক্রেটারি টয়া যেমন স্মার্ট তেমনি সুন্দরী। 
 এ ঘটনায় চিন্তিত হয়ে পড়লেন প্রধান কর্তার স্ত্রী জরিনা। তিনি একদিন মেয়েটিকে ডেকে নিয়ে এক রেস্টুরেন্টে বসলেন। 
 জরিনা: দেখ টয়া, তোমাকে আমার প্রথমেই ভালো লেগেছে। আমার মন বলছে তুমি খুব লক্ষ্মী আর ভালো পরিবারের মেয়ে... 
 টয়া: থ্যাঙ্কস ম্যাম! আপনাকেও আমার ভালো লেগেছে খুব, ঠিক যেন স্নেহময়ী ভাবী... 
 জরিনা: দেখ মেয়ে, আমাকে ভাবীই বলো আর যাই বলো- তোমার জন্য কিন্তু আমি খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছি। 
 চোখ কপালে তুলে মোহময় ভঙ্গিতে টয়া প্রশ্ন করল: কেন? কেন, ম্যাম!
 জরিনা: না, মানে আসলে কীভাবে যে বলি... আমার স্বামী মানে তোমার বস! বেশ ক্ষমতাবান হলেও মানুষটা এমনিতে ভালোই, তবে বলছিলাম আর কী... সে খুব চঞ্চল প্রকৃতির পুরুষ... 
 টয়া বিস্মিত হয়ে প্রশ্ন করে: ম্যাম, চঞ্চল প্রকৃতির বলতে আপনি আসলে কী বোঝাতে চাচ্ছেন?
 জরিনা: মানে বলছিলাম কী... মানে তোমার মতো সুন্দরীদের ব্যাপারে এই ৫৫ বছর বয়সেও উনি বেশ দুর্বল হয়ে পড়েন...কখনো বেশ চঞ্চল হয়ে বেসামাল কর্মকাণ্ড করে বসেন আর কী...আসলে আমি বোধ হয় তোমাকে বোঝাতে পারছি না আসল সমস্যাটা... এবার টয়া বেশ সপ্রতিভভাবে বলল: ও... এই ব্যাপার! ম্যাডাম, আপনি চিন্তা করবেন না। বিষয়টি আমি ইন্টারভিউয়ের দিনই ধরতে পেরেছি। আর তাইতো জয়েন করার দিন থেকেই পিল নেওয়া শুরু করেছি 
 জরিনা জ্ঞান হারালেন। 
   8) নাতি- দাদু তোমার আর দিদার মধ্যে কি সত্যিই কি তেমন কিছু হয় না? 
 দাদু-হয়রে ভাই হয়, তবে তা পিকনিকের মত।
 নাতি-ওয়াও কি মজা, তবে পিকনিকের মত মানে? 
 দাদু-বছরে দু-একবার। 
   9) স্বামী: ঢুকেছে? 
 স্ত্রী: হুমমম 
 স্বামী: পুরোটা? 
 স্ত্রী: পুরোটাই তো! 
 স্বামী: ব্যাথা পাও? 
 স্ত্রী: না। 
 স্বামী: টাইট লাগে নাতো? 
 স্ত্রী: একটু লাগে, কিন্তু আরাম...!! 
 স্বামী: ভালো লাগছে?
 স্ত্রী: হ্যাঁ 
 স্বামী: আরাম পাচ্ছো তো? 
 স্ত্রী: উমমমম 

 স্বামী: তাহলে আর ঘোরাঘুরি না করে এই জুতো জোড়াই কিনে নিই চলো। 
   10) জন্ম নিয়ন্ত্রন সম্পর্কে এক অবিবাহিতা তরুনী ডাক্তার গাঁয়ের বিবাহিতা মহিলাদের বোঝাচ্ছিলেন। 
 সব শোনার পর গাঁয়ের মহিলারা বললো, 
 *এসব আপনের দরকার কারণ আপনের বিয়ে হয় নি, কিন্তু আমাগো সোয়ামি আছে* 
   11) ভাবী:কালকে তো তোমার বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে গেলে। তা মেয়ে কি পছন্দ হয়েছে। 
 দেবর:মেয়ে তো পছন্দ হয়েছে কিন্তু মেয়েটি একটু খাটো। 
 ভাবী:মোবাইল ফোন যতই বড় বা ছোট হোক না কেন সব মোবাইলে মেমোরীকার্ড ডোকানোর জায়গা কিন্তু সমান। 
   12) পল্টু : আচ্ছা বল তো মদ আর প্রেমের মধ্যে কী সম্পর্ক? 
 বল্টু : মদ বেশি খেলে ছেলেরা বমি করে... 
 আর প্রেম বেশি করলে মেয়েরা বমি করে...!! 
   13) সংসদে দাঁড়িয়ে মতিয়া চৌধুরী কৃষি বিষয়ক খুবই গুরুত্বপূর্ন বক্তব্য দিচ্ছিলেন। 
 এমন সময় পেছন থেকে এক সাংসদের খ্যাক খ্যাক করে হাসির শব্দ শোনা গেল। 
 ফিরে তিনি দেখলেন জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশিদ সাহেব হাসছেন। . 
 - আপনি কেন হাসছেন?
 . 
 - ম্যাডাম, পেছন থেকে আপনার অন্তর্বাস দেখা যাচ্ছে! খিক খিক 
 . 
 - বেরিয়ে যান সংসদ থেকে। এরশাদের সাথে থেকে থেকে আপনাদের নজরই খারাপ হয়ে গেছে। 
 যেমন গুরু তেমন শিষ্য। আগামী তিন দিন আমার সামনে আসবেন না। 
 . 
 ফিরোজ সাহেব মাথা নীচু করে বেরিয়ে গেলেন।
 . 
 মতিয়া আবার বক্তব্য দেওয়া শুরু করলেন। এইবার রুহুল আমিন হাওলাদারের কন্ঠে আরো জোরে হাসি শোনা গেল। 
 মতিয়া রেগেমেগে হাওলাদারের দিকে অগ্নিদৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন। 
 . 
 - আপনার সমস্যা কি?
 . 
 - ইয়ে মাডাম, আমার আসন থেকে আপনার অন্তর্বাস পুরোটাই দেখা যাচ্ছে। 
 . 
 - আপনিও বেরিয়ে যান। আগামী তিন সপ্তাহ আমার সামনে আসবেন না। 
 হাওলাদার সাহেব মুচকি হেসে সংসদ থেকে বেরিয়ে গেলেন।
 . 
 মতিয়ার হাত থেকে হটাত করে কলম পড়ে গেল। সেটা তুলতে গিয়ে আরেক সংসদ সদস্যের হাসি শুনতে পেলেন। 
 ফিরে তাকাতেই দেখলেন #এরশাদ বেরিয়ে যাচ্ছে। 
 . 
 - কি ব্যাপার! আপনি কোথায় যাচ্ছেন? 
 . 
 - ম্যাডাম, আমি যা দেখেছি তা যদি বলি তাহলে বাকী জীবনে আমার আর সংসদে ঢোকা হবে বলে মনে হয়না। 
   14) স্ত্রীঃ বল তো, সবচেয়ে ক্ষুদ্র ও ক্ষনস্থায়ী পোশাক কোনটি ? 
 স্বামীঃ কনডম !! 
   15) প্লিজ, ধীরে 
 চতুর্থ বিয়ের পর টিনা গেছে হানিমুনে। 
 প্রথম রাতে স্বামীকে বলছে সে, প্লিজ, ধীরে, আমি কিন্তু এখনো কুমারী।
 টিনার স্বামী ঘাবড়ে গিয়ে বললো, কিন্তু তুমি তো আগে তিনবার বিয়ে করেছো! 
 টিনা বললো, হ্যাঁ। কিন্তু শোনোই না। আমার প্রথম স্বামী ছিলেন একজন গাইনোকলজিস্ট, আর তিনি শুধু ওখানে তাকিয়ে থাকতে পছন্দ করতেন। দ্বিতীয় স্বামী ছিলেন একজন সাইকিয়াট্রিস্ট, তিনি শুধু ওখানকার ব্যাপারে কথা বলতে পছন্দ করতেন। আর আমার তৃতীয় স্বামী ছিলেন একজন গোল মেশিন — ওফ, আমি ওঁকে খুবই মিস করি! 
   16) আরাম খান রাতের বেলা FTV তে ফ্যাশন শো দেখছিলো 
 হঠাৎ ছেলে বল্টু মিয়া এসে রুমে ঢুকল... 
 অপ্রস্তুত আরাম খান বলল, *বেচারা গরীব মেয়েরা, কাপড় চোপড় কেনার পয়সা নাই...* 
 বল্টু মিয়াঃ *এর চেয়ে গরীব মেয়ে দেখতে চাইলে,আমার কাছে সিডি আছে,নিয়ে দেখতে পারো.....* 
   17) ১ম বন্ধুঃ দোস্ত আমার বউটারে আর বিশ্বাস নাই।খালি মিথ্যা কথা কয়।কি যে করি!
 ২য় বন্ধুঃ কেন কি হইছে দোস্ত? 
 ১ম বন্ধুঃ আর কইস না।কাল রাতে আমি বাড়ি ছিলাম না। 
 সকালে আইসা দেখি বউ বাড়িতে নাই।দুপুরে ফিরতেই জিগাইলাম কই গেছিলা? কয় বোনের বাড়ি বেড়াতে গেছিলাম। 
 ২য় বন্ধুম হুমম, তয় বিশ্বাস না করার কি হইল? 
 ১ম বন্ধুঃ আরে তার বোনতো রাতে আমার সাথে ছিল। 
   18) একজন হার্ট রোগ বিশেষজ্ঞ মারা গেলে তার কফিনে হার্ট এঁকে দেয়া হলো। 
 এটা দেখে আরএক ডাক্তার তো হেসেই অস্থির!!!
 কারন জিজ্ঞেস করলে সে বলল 
 *আমিতো স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ। ভাবছি আমি মরলে আমার কফিনে কিসের ছবি আঁকা হবে!!* 
 কি বুঝলেন??? 
   19) বায়োলজির পরীক্ষা চলছে। প্রশ্ন এসেছে *মেয়েদের প্রজননতন্ত্র আঁকাও এবং তা বর্ণনা করো* 
 পরীক্ষা চলার সময় এক মেয়ে হঠাৎ তার দুই পায়ের মাঝে তাকাল
 সাথে সাথে এক ছেলে চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো 
 *স্যার ওই মেয়েটা নকল করছে, আমি নিজের চোখে দেখেছি!!!* 
 কে কে বুঝছেন গো??? 
   20) এক লোক মানসিক রোগের হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তার কে বলছে 
 *ডাক্তার সাহেব, আমার বৌ খুবই খারাপ একটা মেয়ে। প্রত্যেক রাতে সে আবুলের মদের বারে যায় এবং একটা পুরুষ ধরে আনে। 
 আসল ব্যাপার আরও খারাপ, যে পুরুষই তাকে অফার করে সে সাথে সাথে রাজি হয়ে যায়। আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি... আমি এখন কি করব বলেন আমাকে প্লিজ...* 
 ডাক্তার নিজে ভিতরে ভিতরে চরম উত্তেজিত হয়ে বলে- 
 *শান্ত হন শান্ত হন...একটা গভীর নিঃশ্বাস নেন... হ্যাঁ এবার আমাকে বলেন মদের বার টা যেন ঠিক কোন জায়গায়?? 
   21) সে এক আদ্যিকালের কথা।এক রাজ্যে ছিল এক বুড়ি।বুড়ির খুব দু্ঃখ। 
 তার স্বামী মারা গেছে বহু আগে,কোন ছেলে পেলেও নেই। 
 আছে শুধু একটা ছাগল।ভিক্ষা করে কোনরকমে নিজের আর ছাগলের পেট চলে। 
 তো একদিন বুড়ি ভিক্ষা করছে।এক বাড়িতে তাকে ভিক্ষা দিল একটা প্রদীপ। 
 বুড়ি ভাবল এটা দিয়ে কি করা যায়?যা থাকে কপালে ভেবে ঘষা দিল প্রদীপে। 
 তারপর যা হয় আর কি।এক জ্বিন এসে হাজির।বলল,হুকুম করুন।আপনার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব। 
 বুড়ি তার প্রথম ইচ্ছা জানাল,আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজপ্রাসাদের মালিক বানিয়ে দাও। যো হুকুম। 
 বুড়ি রাজ প্রাসাদে এসে গেল।
 আপনার দ্বিতীয় ইচ্ছা কি?
 আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজকন্যা বানিয়ে দাও। তাই হল। 
 তৃতীয় ইচছা কি? 
 আমার পোষা ছাগলটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে যৌনআবেদনময় পুরুষ বানিয়ে দাও। 
 বুড়ির এই ইচছাও পূরণ হল। আমি এখন মুক্ত।এই বলে জ্বীন অদৃশ্য হল।
 সুদর্শন যুবক (যে কিনা আগে ছাগল ছিল) এগিয়ে এল বুড়ির (যে এখন সুন্দরী রাজকন্যা) দিকে।বুড়ির নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এল। 
 বুড়ির কানে কানে সে বলল,আপনার কি মনে আছে শৈশবে আপনি আমাকে ছাগল থেকে খাসী করে দিয়েছিলেন??? 
   22) এক ছেলে এবং তার নতুন বান্ধবী এক সন্ধ্যায় শহর থেকে একটু দূরে গাড়ী নিয়ে বেড়াতে বেড় হলো। 
 গাড়ী কিছু দূর যাওয়ার পর একটা নির্জন জায়গা দেখে মেয়েটি চিৎকার দিয়ে গাড়ী থামাতে বলল। 
 ছেলেটি গাড়ী থামিয়ে মেয়েটির দিকে তাকাল। 
 মেয়েটি বলল-*আসলে তোমাকে বলা হয়নি যে আমি একজন কল গার্ল এবং আমার রেট ২০০০ টাকা।* 
 ছেলেটি অবাক না হয়ে তার দিকে তাকাল এবং তার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে দুজন মিলন আনন্দে কিছুক্ষণ নগ্ন দেহে আদিম খেলায় মত্ত হলো। 
 দৈহিক প্রশান্তির পর বান্ধবীর পেমেন্ট দিয়ে কিছুটা ক্লান্তি নিয়ে ছেলেটা একটা সিগারেট ধরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে কুন্ডলী পাকাতে লাগল। 
 তার নির্লিপ্ততা দেখে বান্ধবী ছেলেটি কে বলল-*আমরা বসে আছি কেন? চলো ফিরে যাই।* 
 ছেলেটি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল-*ও তোমাকে আগে বলা হয়নি আমি একজন টেক্সী ড্রাইভার, এখান থেকে শহরে ফেরার ভাড়া হচ্ছে ২৫০০টাকা।* 
   23) Dhaka University তে যদি আগুন লাগে তাহলে সংবাদে সংক্ষেপে বলবে.... 
 . 
 DU তে আগুন লেগেছে।
 . 
 যদি Islamic University তে আগুন লাগে, 
 তাহলে সংবাদে বলবে.....
 . 
 IU তে আগুন লেগেছে
 . 
 আর যদি Nasir Uddin National University তে 
 আগুন লাগে , তাহলে সংবাদে 
 সংক্ষপে কি বলবে? 
 . 
 হেহেহেহেহে..............কোথায়.আগুন 
 লেগেছে ????? 
   24) একজন শিক্ষক তার ছাত্রীকে পড়াচ্ছে। যাতে সব কিছু মনে থাকে সে জন্য সে ছাত্রীকে বলেছে প্রতিটি জিনিস দুই বার করে লিখতে। সে শিক্ষক আবার ভদ্র ভাষায় কথা বলে। তাই সে বলেছে . . 
 . 
 দুদু বার করে লিখ। ……….. বেচারা ভদ্র ভাষায় কথা বলার দায়ে প্রাইভেট হারাইছ 
   25) টিংকু : মা মা, প্রেগন্যান্ট কি??
 মা (খুব রেগে গিয়ে) : যা এখান থেকে ফাজিল...
 টিংকু ভাবল প্রেগন্যান্ট অর্থ রাগ করা।
 এরপর দিন টিংকু স্কুল থেকে বাসায় আসার সময় তার ক্লাসের একটি মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে ফেলেদিল।
 মেয়েটির মা (খুব রেগে গিয়ে) :ফাজিল, বাঁদরামি কর? দেব এক চড়! 
 টিংকু (খুব অবাক হয়ে) : আরে, 
 ↓
 যা কিছু ঘটেছে আপনার মেয়ের সাথে ঘটেছে, প্রেগন্যান্ট হবে আপনার মেয়ে! আপনি কেন প্রেগন্যান্ট হলেন! 
   26) স্বামী: ওগো একটু কাছে আসো | 
 স্ত্রী: কেন? 
 স্বামী: কতদিন তোমায় আদর করি না | 
 .
 স্ত্রী: ঢং কত? আদর না করলে এই ৫ টা বাচ্চা কি আমি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করেছি | 
   27) তিন ব্যক্তি হেটে যাচ্ছিল। 
 ১ম ব্যক্তিঃ আমার বাহু দুনিয়ার সবচেয়ে ছোট বাহু। 
 ২য় ব্যক্তিঃ আমার মাথা দুনিয়ার সবচেয়ে ছোট মাথা। 
 ৩য় ব্যক্তিঃ আমার Penis দুনিয়ার সবচেয়ে ছোট। তিন ব্যক্তি তাদের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য গিনিস বুকের অফিসে গেল। 
 প্রথমে প্রথম ব্যক্তিটি ঢুকল। কিছুক্ষন পর সে বের হয়ে এসে বললঃ*আমার বাহুই পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট।
 *এবার দ্বিতীয় ব্যক্তিও ঢুকল। কিছুক্ষন পর সেও হাসি মুখে বের হয়ে এসে বললঃ *আমার মাথাই পৃথিবীর ছোট মাথা।
 এবার গেল ৩য় ব্যক্তি। কিন্তু কিছুক্ষন পর সে খুবই রাগান্নিত হয়ে এসে বললঃ
 / 
 এই শালা শাকিব খানটা কে? ওর জন্য আমি রেকর্ড করতে পারলাম না! 
   28) ছাত্র : স্যার একটি কথা বলবো? 
 স্যার : কি বলবে বলো? 
 ছাত্র : আমার খুব লজ্জা লাগছে
 স্যার : লজ্জার কি আছে বল? 
 ছাত্র : আস্তে বলব না জোরে বলব স্যার?
 স্যার : আরে বেটা যা বলবি জোরে বল সবাই শুনুক
 ছাত্র : চিত্কার করে বলে- স্যার আপনার 
 পেন্টের চেইন খোলা 
 স্যার : হারামজাদা আস্তে ক... 
   29) স্বামী বাইরে যাওয়া মাত্রই বউ হের অবৈধ প্রেমিকরে নিয়া মউজ করা শুরু করছে বাসার ভিতর। নয় বছরের পুলায় কিন্তুক ঘরেই আছিল, ওয়ার্ডরোবের মধ্যে লুকাইয়া হেগ কাম কাজ দেখতাছিল। হঠাৎ কইরা স্বামী বাড়িত ফিইরা আইল! অবৈধ প্রেমিকে কৈ লুকাইব খুইজা না পাইয়া শেষমেষ ওয়ার্ডরোবের মধ্যে ঢুকল। হেত জানেনা ছুড পুলাডাও লুকাইয়া আছে ঐটার ভিতরে!
 পুলা: জায়গাটা অনেক আন্ধার! 
 অবৈধ প্রেমিক: আসলেই! 
 পুলা: আমার একটা ফুটবল আছে! 
 অবৈধ প্রেমিক: খুব ভাল! 
 পুলা: তুমি কি ঐটা কিনতে চাও! 
 অবৈধ প্রেমিক: নাহ, দরকার নাই! 
 পুলা: আব্বায় কিন্তুক বাইরেই আছে! 
 অবৈধ প্রেমিক: আচ্ছা ঠিক আছে, দাম কত ? 
 পুলা: বেশী না ৫০০ টাকা! 
 কয় সপ্তাহ পরে আবারও পুলাডা আগে ও পরে অবৈধ প্রেমিকে ওয়ার্ডরোবে লুকাইয়া আছে!
 পুলা: জায়গাটা অনেক অন্ধকার! 
 অবৈধ প্রেমিক: আসলেই! 
 পুলা: আমার একটা ফুটবলের ব্যাগ আছে! 
 আগের কথা মনে পইড়া গেল লোকটার!
 অবৈধ প্রেমিক: দাম কত? (কাচুমাচু মুখের অবস্থা) 
 পুলা: ২৫০০ টাকা! 
 অবৈধ প্রেমিক: ঠিক আছে! 
 কয় সপ্তাহ পরে বাবায় পুলারে কইতাছে~ আজকের আবহাওয়াটা অনেক সুন্দর, চল ফুটবল খেলি! 
 পুলা: খেলতে পারব না আব্বা, বলটা ব্যাগসহ আমি বিক্রি কইরা দিসি! 
 বাবা: কত পাইস বিক্রি কইরা ? 
 পুলা: বেশী না, ৩০০০ টাকা! 
 বাবা: ভয়ানক ব্যাপার তুমি নির্ঘাৎ প্রতারনা করছ। এটা একটা পাপ! চল হুজুরের কাছে, তওবা পইড়া তোমার প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে! বাবা শয়তান পুলারে মসজিদে নিয়া গেল। পুলাডা হুজুরের রুমে গেছে তওবা পড়তে, রুমে ঢুইকাই দরজা লাগাইল ভদ্র মাইনষের মতন! 
 *জায়গাটা অনেক অন্ধকার !* পুলাডা ফিসফিস কইরা কইল!
 *এইবার কি বেচবা!* হুজুরের মুখ আবারও অন্ধকার! 
   30) এক মহিলা SPAIN যাচ্ছে এক মাসের সফরে অফিসের কাজে।যাবার সময় স্বামীর কাছে জানতে চাইল যে তার কিছু লাগবে কি না।স্বামী একটি SPANISH GIRL আনতে বলল। বৌ বলল OK। 
 . 
 এক মাস পর যখন বৌ ফিরে এল তখন স্বামী জানতে চাইলো SPANISH GIRL কোথায়।বৌ উত্তর দিল *মাত্র তো একমাস হল,আরো ৯ মাস অপেহ্মা কর*। 
   31) কাশেম শহরে থাকে। তার বউ সখিনা থাকে গ্রামে । কাশেমেরই বন্ধু আবুল। কাশেম একদিন সখিনার জন্য *শাড়ি* কিনে পাঠালো আবুলের মাধ্যমে । 
 প্যাকেট খোলা দেখে সখিনা বুঝতে পারলো যে আবুল শাড়ির প্যাকেট খুলে দেখেছে ! কিছুদিন পর আবার কাশেম সখিনার জন্য *ব্রা* কিনে পাঠালো আবুলের মাধ্যমেই ।
 আবারো প্যাকেট খোলা দেখে সখিনা বুঝতে পারলো যে আবুল প্যাকেট খুলে দেখেছে ! ! বেশ কিছুদিন পর আবার কাশেম সখিনার জন্য *দুধ* কিনে পাঠালো ঐ আবুলের মাধ্যমেই।। 
 এবার সখিনা প্যাকেট হাতে নিয়ে দেখে প্যাকেট তো খোলা এর উপর আবার প্যাকেটে অর্ধেক দুধ নাই ! ! তাই সখিনার রাগে- দুঃখে কাশেমকে চিঠি লিখলো . . . 
 . 
 . ঐ 
 *আবুইল্যা একটা জানোয়ার !! আমার শাড়ি খুলছে, ব্রা খুলছে তাপররেও তোমারে কিছুই কই নাই !! এখন আমার দুধ অর্ধেক খাইয়াও ফালাইছে ! 
   32) বুড়ো লম্পট রিয়াদ সাহেব সত্তর বছর বয়সে কুড়ি বছরে এক সুন্দরী তরুণীকে বিয়ে করলেন। 
 বছর ঘুরতেই খোকা হলো তাদের। 
 হাসপাতালের নার্স মুচকি হেসে বললো, বাহ রিয়াদ সাহেব, বেশ ফর্মে আছেন মনে হচ্ছে? 
 রিয়াদ সাহেব গর্বিত হাসি দিয়ে বললেন, পুরনো ইঞ্জিনটাকে চালু রাখলাম আর কি।
 আরো দুবছর পর আবার খুকি হলো তার। 
 নার্স আবারো মুচকি হাসলো। হুম, রিয়াদ সাহেব, বেশ ফর্মে আছেন।
 রিয়াদ সাহেব আবারো গর্বিত হাসি দিয়ে বললেন, পুরনো ইঞ্জিনটাকে চালু রাখলাম আর কি। 
 বছর দুয়েক পর আবার খোকা হলো তাঁর। 
 নার্স কিছু বলার আগেই রিয়াদ সাহেব বললেন, পুরনো ইঞ্জিনটাকে চালু রাখলাম আর কি। 
 নার্স মুচকি হেসে বললো, তাহলে এবার তেল পাল্টে নিন স্যার। আপনার এবারের বাচ্চাটার চুল সোনালি। 
   33) গ্রামের এক অশিক্ষিত লোক তার গর্ভবতী স্ত্রীকে শহরে নিয়ে এসেছে ডাক্তার দেখাতে 
 ডাক্তার মহিলাকে চেকআপ করার পরে বললেন :- 
 আপনার স্ত্রী গর্ভবতী হন নি। পেটে গ্যাস হয়েছে। 
 লোকটি ডাক্তারের উপর ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে বলল:- 
 ফাজলামি পেয়েছেন আপনারে ডাক্তারি শিখাইছে কে? 
 আমি কি একটা পাম্পার নাকি.??? 
   34) এক লোক খুব লাজুক। সারাদিন বই পড়ে।... বিয়ের ২ মাস পর ও সে তার বৌ এর সাথে কিছুই না করায় বৌ হতাশ। এক রাতে লোকটি পড়ছে।বৌ তাকে আকর্ষন করতে সব কাপড় খুলে খাটেশুয়ে পড়লো।লোকটি লজ্জা পেয়ে বৌ এর ঐ জায়গা বই দিয়ে ঢেকে বাইরে চলে গেল 
 ঠিক তখনই ছোট ভাই ঘরে ঢুকে এই অবস্থা দেখে চিত্কার করে বলতে থাকলো 
 * মা . . . . . . . . . . . ! 
 ও . . . . . মা !! 
 দেইখা যাও . . . !! 
 ভাইজান তো পুরা ভিতরে ঢুইকা গেছে খালি বই টা বাকী!!!! 
   35) ক্লাসে শিক্ষক প্রাণীদের ডাক সম্পর্কে পড়া ধরছেন। সবচেয়ে ফাঁকিবাজ ছাত্র সজিবকে 
 শিক্ষকঃ বলতো সজিব? কুকুর কিভাবে ডাকে??
 সজিবঃ ঘেউ ঘেউ।।
 শিক্ষকঃ বিড়াল??? 
 সজিবঃ ম্যাও ম্যাও। 
 শিক্ষকঃ আচ্ছা, এবার বল লায়ন কিভাবে ডাকে ?? 
 সজিবঃ আহ আহ্ উহ উহ।
 শিক্ষকঃ বজ্জাত কোথাকার, আমি লায়ন কইছি লিউন না 
   36) এক বুড়া বারে গিয়ে মদ গিলতো। আর মাতাল হয়ে তার গায়ের চাদর হারিয়ে আসতো। তাই তার বউ বুড়াকে খুব ঝাড়তো। একদিন বুড়া ঠিক করলো আজকে বারে যাওয়ার আগে গায়ের সাথে চাদরটা খুব টাইট করে গিট্টু লাগায় নিবে….তাহলে আর হারাবে না। রাতের বেলা হেবি করে মাল টাল খেয়ে বাসায় বুড়া ফিরলো।। 
 বুড়িকে ঢলতে ঢলতে বলল, *দেখেছো..আজকে গায়ের চাদর ঠিকঠাক আছে 
 বুড়ি বলল,*তা ঠিক বলেছো 
 .
 কিন্তু তোমার লুঙ্গি কই???* 
   37) মেয়েঃ এই শুনো জান তুমি ঐটা উঠা ও না??? 
 ছেলেঃ কোনটা? ?? 
 মেয়েঃ তুমি কোনো কিছু বুঝো না..কোনটার কথা বলতেছি???
 ছেলেঃ আমি আসলেই বুঝতেছি না..তুমি কোন জিনিষটা উঠাতে বলতেছ... 
 মেয়েঃ শুনো আমি আর পারতেছি না...প্লিজ ...উঠাও... 
 ছেলেঃ খুলে বলোতো কোন জিনিষটা উঠাবো???
 মেয়েঃ কেন...তুমি দেখতে পাচ্ছো না তোমার টাকা পরে গেছে...আমি সেটাই উঠাতে বলতেছি।।।।। 
   38) স্যার:পানি কোন লিঙ্গ? 
 বল্টু:তরল লিঙ্গ ! 
 . 
 স্যার:গাধা ! 
 বল্টু:পশু লিঙ্গ ! . 
 . 
 স্যার:বেয়াদব ! 
 বল্টু:আচরন লিঙ্গ ! 
 . 
 . স্যার:স্টপ ! 
 বল্টু:ধমক লিঙ্গ ! 
 . 
 স্যার:গেট আউট ! 
 বল্টু:অপমান লিঙ্গ ! 
 . 
 স্যার বেঁহুশ!! 
   39) একলোক এক ট্রাফিক মহিলাকে বিয়ে করল | 
 পরদিন ট্রাফিক মহিলা ১০০০ টাকা জরিমানা করল এভাবে 
 - ওভার স্পীড ৩০০ 
 - হেলমেট না পরা ৩০০ 
 - রং ওয়ে এট্রি ৪০০ 
   40) সেক্সপিয়ার একবার বলেছিলেন, *জগতের সকল মেয়েরাই খুব সুন্দর, 
 বিশেষ করে বাতি নিভানোর পর ! সেক্সপিয়ারের স্ত্রীর উত্তর ছিলো, 
 *জগতের সকল ছেলেরাও খুবই নিষ্পাপ, বিশেষ করে বাতি নিভানোর আগে !!